বিরোধী দলের আপত্তি নাকচ করে ‘সরকারি চাকরি বিল–২০১৮’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ফৌজদারি অপরাধ করলেও আদালতে অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার আগে কোনো সরকারি কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করতে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। সংসদে বিরোধী দলের ১১ জন সদস্য আইনটির এই বিধানের বিরোধিতা করে বক্তব্য দেন। তাঁরা বলেন, এই বিধান সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কারণ, সংবিধানে বলা হয়েছে, সব নাগরিক সমান, কিন্তু এই আইনে একটা শ্রেণিকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এভাবে আইনটি করা ঠিক হবে না। তবে বিরোধী দলের এই আপত্তি টেকেনি। বিরোধী দলের সদস্যদের দেওয়া জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। অনুমতি সাপেক্ষে গ্রেপ্তারের বিধানের সমালোচনা করে বিরোধী দলের সদস্য পীর ফজলুর রহমান বলেন, এই বিধান সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কারণ, সংবিধানে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। একজন মন্ত্রীকেও গ্রেপ্তার করা যাবে, কিন্তু সরকারি কর্মচারীকে সরাসরি গ্রেপ্তার করা যাবে না। এটা হতে পারে না। ফখরুল ইমাম বলেন, বিশেষভাব...
This comment has been removed by the author.
ReplyDelete